ETV Bharat / state

পশ্চিমবঙ্গ ফার্মার পরে আরও এক ওষুধ কোম্পানিকে উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ

বারুইপুরের ফার্মা ইমপেক্স ল্যাবটারি প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। তার ভিত্তিতেই হয় পরিদর্শন । এবার উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হল।

PHARMA INSPECT LABORATORY PVT LTD
ওষুধ কোম্পানিকে উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ (নিজস্ব চিত্র)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : January 30, 2025 at 9:56 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

কলকাতা, 30 জানুয়ারি: আবারও এক ওষুধ কোম্পানিকে উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ। পশ্চিমবঙ্গ ফার্মার পর ফার্মা ইমপেক্স ল্যাবরেটরিকে ওষুধ উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হল। কেন্দ্র ও রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগের আধিকারিকরা পরপর তিনদিন বারুইপুরের এই ফার্মা কোম্পানি পরিদর্শন করেন। তারপরই এমন নির্দেশ দেওয়া হয়। মূলত ওষুধের মান নিয়ে বেশ কিছু চিঠি পাওয়ার পরেই উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।

বারুইপুরের সংস্থা ফার্মা ইমপেক্স ল্যাবটারি প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোলের কাছে জমা পড়া অভিযোগের ভিত্তিতেই পরিদর্শন করেছিলেন আধিকারিকরা । 21 থেকে 23 জানুয়ারি, তিনদিন ধরে এই সংস্থার বারুইপুরের কারখানায় তদন্ত চালায় দুই ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ।

তাদের এই পরিদর্শনের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছিল রিস্ক ফ্যাক্টর অ্যাসেসমেন্ট। সেই পরিদর্শনের মধ্যেই দেখা যায় কমপক্ষে দুটি ক্ষেত্রে 'গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস' মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে এই সংস্থা। এরপরই 29 তারিখ এই কারখানার ওষুধ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসার পরেই স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ফার্মার ওষুধ নিয়ে তোলপাড় হয়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ওই কোম্পানির স্যালাইন ব্যবহার করার ফলে মৃত্যু হয়েছে এক প্রসূতির। তিন প্রসূতি গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। মেদিনীপুর মেডিক্য়াল কলেজ থেকে তাঁদের তিন জনকেই স্থানান্তরিত করা হয়েছিল এসএসকেএম হাসপাতালে।

বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন তিন প্রসূতি। মঙ্গলবার তাঁদের মধ্যে থেকে এক প্রসূতিকে ছুটি দেওয়া হয়েছে ৷ কিন্তু বাকি দুই প্রসূতি এখনও হাসপাতালে। তাঁদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক বলেই জানা গিয়েছে। এরই মধ্যে আরও একটি সংস্থাকে ওষুধের উৎপাদন বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।