চোর ধরার ফাঁদে ফাঁসলেন নিজেরাই! বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত একই পরিবারের 3 জন - Died Of Electrocution
Died Due to Electrocution in Magrahat: চোরের উপদ্রব থাকায় পেয়ারা বাগানে সচল বিদ্যুতের তার ঘিরে রেখেছিলেন জগদীশ বিশ্বাস ৷ কিন্তু মঙ্গলবার ঘটল অঘটন ৷ পেয়ারা তুলতে গিয়ে মৃত্য়ু হল মালিক-সহ তাঁর স্ত্রী ও ছেলের ৷

Published : September 3, 2024 at 10:15 PM IST
মগরাহাট, 3 সেপ্টেম্বর: পেয়ারা তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের। মঙ্গলবার এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে, মগরাহাট থানার অন্তর্গত ধামুয়ার মাধববাটি এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জগদীশ বিশ্বাস ও তাঁর পরিবার পেয়ারা তুলতে গিয়েছিল বাড়ির পাশের বাগানে ৷ সেই বাগানে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় একই পরিবারের তিনজনের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশেই একটি পেয়ারা বাগান ছিল জগদীশ বিশ্বাসের ৷ চোরের উপদ্রব থাকায় সেই পেয়ারা বাগানে সচল বিদ্যুতের তার ঘিরে রাখতেন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার সেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ভুলে গিয়েছিলেন ৷ এরপর পেয়ারা তুলতে গিয়ে করুণ পরিণতি হয় বিশ্বাস পরিবারের। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় জগদীশ বিশ্বাস (54), মানবেশ বিশ্বাস (27) জগদীশ বিশ্বাসের ছেলে, এবং জগদীশ বিশ্বাসের স্ত্রী শান্তি বিশ্বাসের (50)। এই ঘটনায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পরিবারের দাবি ওনাকে খুন করা হয়েছে ৷ যদিও পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে একই পরিবারের তিনজনের ৷ যদিও ময়নাতদন্তের উপর ভরসা রাখছে মগরাহাট থানার পুলিশ। অনিমা তরফদার নামে মৃতের এক আত্মীয় বলেন, "প্রতিদিনের মতো পেয়ারা তুলতে গিয়েছিলেন জগদীশ বিশ্বাস। এরপর দীর্ঘক্ষণ হয়ে যাওয়ার পরও বাড়ি না-ফেরায় ওনার স্ত্রীকে ডাকতে যাই ৷ পেয়ারা বাগানে গিয়ে দেখি ওনাদের মৃত্যু হয়েছে ৷ এরপর আমরা খবর দিই মগরাহাট থানায় ৷"
এরপর তিনি বলেন, "মগরাহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। আমাদের মনে হয় কোনও শত্রুতার কারণে কেউ বা কারা ওনাদের খুন করেছে। মগরাহাট থানার পুলিশের পক্ষ থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ময়নাতদন্ত করার জন্য ডায়মন্ড হারবার পুলিশ মর্গে মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে। মগরাহাট থানার পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে ৷ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে মনে করছে মগরাহাট থানার পুলিশ।

