ETV Bharat / state

বিদেশে রত্ন বিক্রির নামে পাচার 1000 কোটি! ইডির তদন্তে উঠে এল তথ্য

দুবাই-সহ একাধিক দেশে গিয়েছে টাকা৷ কলকাতা ও আমেদাবাদে তল্লাশি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের৷

ED
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিস৷ (ফাইল ছবি)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : October 9, 2025 at 7:38 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

কলকাতা, 9 অক্টোবর: দুবাই ও জার্মানি-সহ একাধিক দেশে রত্ন আমদানি-রফতানির আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠল৷ ইডি সূত্রের খবর, প্রায় 1 হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের দাবি, কালো টাকাকে সাদা করার উদ্দেশ্যেই এই বিপুল অঙ্কের অর্থ বিদেশে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার ভোর থেকেই ইডি পশ্চিমবঙ্গ ও গুজরাতের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। রাত পর্যন্ত চলে সেই অভিযান। জানা গিয়েছে, তল্লাশিতে তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল প্রমাণ।

ইডি সূত্রে খবর, রত্ন আমদানির নামে কাগজে-কলমে পণ্যের দাম বেশি করে দেখিয়ে বিদেশে টাকা পাঠানো হচ্ছিল। এই অভিযোগেই কলকাতার সল্টলেকের এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও কিরণশঙ্কর রায় রোডে তাঁর অফিসে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। একই সঙ্গে গুজরাতের আমেদাবাদ-সহ মোট ছয়টি জায়গায় চলছে সমান্তরাল অভিযান।

অভিযোগ, কলকাতা ও আমেদাবাদ থেকে যৌথভাবে বিদেশি সংস্থাগুলিকে অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে টাকা পাঠানো হচ্ছিল। সেই অর্থের উৎস, গন্তব্য এবং এর পেছনে কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাজনীতিকের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

প্রায় এক মাস আগে গ্রহ-রত্ন বিক্রির নামে ভয়াবহ আর্থিক তছরূপের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, কম দামের রত্নকে আসল বলে বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু তদন্ত যত এগিয়েছে, ততই সামনে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য৷ এই আর্থিক প্রতারণার অঙ্ক প্রায় 350 কোটি টাকারও বেশি!

এই কেলেঙ্কারির সূত্র ধরে বুধবার সকালে ইডি সল্টলেকের সিএফ ব্লকে অভিযুক্ত এক এজেন্টের বাড়িতে হানা দেয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি অভিযান। বাড়ি থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল ডেটা উদ্ধার করা হয়েছে।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই এজেন্টের মাধ্যমেই পুরো অর্থ পাচার চক্রটি পরিচালিত হতো। রত্ন বিক্রির নামে টাকা লেনদেনের একাধিক প্রমাণ ইডির হাতে এসেছে। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই একাধিক ব্যাংক লেনদেন, আমদানি-রফতানির বিল ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানির হিসেবপত্র খতিয়ে দেখছেন।

তল্লাশি অভিযান শেষ না-হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে ইডির তরফে। তবে এই চাঞ্চল্যকর অভিযানে ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ী মহলে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন -

  1. ডিজিটাল অ্যারেস্ট মামলায় 1500 কোটির প্রতারণা, চার্জশিটে দাবি ইডির
  2. বিরাটি থেকে ধৃত আজাদ মল্লিক কি পাকিস্তানি গুপ্তচর ! ইডির হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য