'বিরল প্রতিভা', সচিনের সঙ্গে তুলনা টেনেও বৈভবকে সময় দিতে বলছেন ঝুলন
বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে এখনই বেশি মাতামাতিতে নারাজ ঝুলন গোস্বামী ৷ রাজস্থান রয়্যালস ক্রিকেটারকে সময় দিতে বললেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি ৷

Published : May 2, 2025 at 7:58 PM IST
|Updated : May 2, 2025 at 8:11 PM IST
দুর্গাপুর, 2 মে: দুরন্ত প্রতিভা সে বিষয়ে সন্দেহ নেই ৷ কিন্তু বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে এখনই বেশি মাতামাতিতে নারাজ ঝুলন গোস্বামী ৷ রাজস্থান রয়্যালস ক্রিকেটারকে সময় দিতে বললেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি ৷ শুক্রবার দুর্গাপুরের বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রজত জয়ন্তী বর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বৈভবের প্রশংসা করলেন ঝুলন ৷
ঝুলন বছর চোদ্দর বৈভবকে নিয়ে এদিন বলেন, "অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী ৷ অল্প বয়সে একটা প্ল্যাটফর্মে ভালো পারফর্ম করেছে ৷ কিন্তু এই মুহূর্তে সুপারস্টার বললে বেশি বলা হয়ে যাবে। সময় দরকার। আমরা ওকে যত মাটিতে পা রেখে চলতে বলব, ততই সে এগিয়ে যেতে পারবে।" তাঁর সংযোজন, "এরকম প্রতিভা খুবই বিরল। আমার জানা সচিন তেন্ডুলকর 16 বছর বয়সে ভারতের হয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠ কাঁপিয়েছিলেন। এবার আইপিএলে অভিষেক হল বৈভব সূর্যবংশীর। স্বাভাবিকভাবে উন্মাদনা তো হবেই।"
পাশাপাশি তাঁর বায়োপিক নিয়েও আশাবাদী ঝুলন গোস্বামী। শুক্রবার দুর্গাপুরের বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রজত জয়ন্তী বর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিল কিংবদন্তি অন্যান্য অ্য়াথলিটরাও। ঝুলন গোস্বামী ছাড়াও ছিলেন অর্জুন পুরস্কারে ভূষিত প্রাক্তন হকি খেলোয়াড় গুরবক্স সিং, কিংবদন্তি ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য, অর্জুনে ভূষিত তিরন্দাজ দোলা বন্দ্যোপাধ্যায়, আন্তর্জাতিক সাঁতারু সায়নী দাস, অর্জুন পুরস্কারে ভূষিত অ্যাথলেটিক্স সোমা বিশ্বাস। তাঁদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য পড়ুয়াদের উৎসাহিত করে। কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। উপস্থিত ছিলেন আসানসোল -দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত-সহ বিশিষ্টজনেরা।
কলেজের তরফে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক তরুণ ভট্টাচার্য, কোষাধ্যক্ষ জার্নেল সিং, অধ্যক্ষ সঞ্জয়এস পাওয়ার প্রমূখ। মহিলা ওডিআই ক্রিকেটের সর্বাধিক উইকেটশিকারি ঝুলন আরও বলেন, ""আজকাল খেলাধুলোকে স্কুল থেকে কলেজ সবক্ষেত্রেই প্রমোট করা হচ্ছে। ছেলেমেয়েদের কাছে ভালো খেলোয়াড় হওয়ার সমস্ত রকম সুবিধা এনে দিয়েছে। আমাদেরকে খেলাধুলো দেখার জন্য শুধু দূরদর্শনের উপর নির্ভর করতে হত। আমাদের বাড়ির পরিবেশ পরিস্থিতিও খুব একটা অনুকূল ছিল না। সবাই চাইত লেখাপড়া শিখে ভবিষ্যত তৈরি করি। কিন্তু আজকের প্রজন্মের কাছে খেলাধুলোও যে ভবিষ্যত গঠনের জন্য একটা বড় প্ল্যাটফর্ম তা প্রমাণিত।"

