সায়নের জোড়া গোল, দশজনে শীর্ষে উঠেও দুশ্চিন্তায় ইস্টবেঙ্গল
বিএসএসের কাছে হেরে শীর্ষস্থান হাতছাড়া হল পাঠচক্রের ৷ সুযোগের সদ্ব্যবহার করল লাল-হলুদ ৷

Published : August 12, 2025 at 5:32 PM IST
নৈহাটি, 12 অগস্ট: প্রথম সাত ম্য়াচে জোড়া হার, জোড়া ড্র ৷ ফলত ইস্টবেঙ্গলের কলকাতা লিগে সুপার সিক্সে প্রবেশ করার বিষয়টি অনেক অঙ্কের উপর নির্ভর করছে ৷ তবে মঙ্গলবার নৈহাটি স্টেডিয়ামে রেলওয়ে এফসি'র বিরুদ্ধে 3-0 গোলে জয় বিনো জর্জের লাল-হলুদকে পৌঁছে দিল গ্রুপ-এ'র শীর্ষে ৷ প্রাক্তনী মেহতাব হোসেন প্রশিক্ষণাধীন দলকে 3-0 গোলে হারিয়ে ন'ম্যাচে 17 পয়েন্টে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল ৷
লাল-হলুদের হয়ে প্রথমার্ধে এদিন জোড়া গোল করে ম্য়াচের ভাগ্য লিখে ফেলেন সায়ন বন্দ্যোপাধ্য়ায় ৷ সংযুক্তি সময়ে দলের হয়ে তৃতীয় গোল নসিব রহমানের ৷ রেলকে হারিয়ে বিনোর দলকে শীর্ষে পৌঁছতে সাহায্য করল গ্রুপের অন্য় ম্যাচগুলিও ৷ যেমন বিএসএস স্পোর্টিং ক্লাবের কাছে 0-2 গোলে হেরে শীর্ষস্থান হাতছাড়া করল পাঠচক্র ৷ পুলিশ এসি'র বিরুদ্ধে 2-2 ড্র করল সুরুচি সংঘ ৷ আজকের পর সাত ম্য়াচে 15 এবং আট ম্য়াচে 15 নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয়স্থানে সুরুচি সংঘ এবং পুলিশ এসি ৷

রেলওয়ে এফসি'র বিরুদ্ধে কার্ড সমস্যা মিটিয়ে লাল-হলুদ একাদশে প্রত্য়াবর্তন হয় সাইড-ব্যাক প্রভাত লাকরা এবং স্ট্রাইকার ডেভিড লালহ্লানসাঙ্গার ৷ গত ম্য়াচের মত মাঝমাঠে সৌভিক চক্রবর্তীও এদিন পুরো সময় খেলেন ৷ পিভি বিষ্ণু চোট সারিয়ে ফেরার পর প্রথমবার নামেন কলকাতা লিগে ৷ অসুস্থতা থেকে ফিরে পরিবর্ত হিসেবে ভালো খেললেন মনোতোষ মাজি ৷ পয়েন্ট টেবিলে নীচের দিকে থাকা মেহতাব প্রশিক্ষণাধীন দল এমনিতে বড় বাধা ছিল না ৷ পুরো 90 মিনিট সেভাবে লাল-হলুদ রক্ষণকে অস্বস্তিতেও ফেলতে পারেনি তাঁরা ৷ তাই শুরুতে বোঝাপড়াহীন ফুটবল সত্ত্বেও ম্য়াচ নিয়ন্ত্রণ করল ইস্টবেঙ্গল ৷
FT | 3️⃣ IMPORTANT POINTS ❤️💛#JoyEastBengal #EmamiEastBengal #CFL pic.twitter.com/vsaO6OstKG
— East Bengal FC (@eastbengal_fc) August 12, 2025
গত ম্য়াচের গোলদাতা ভানলালপেকা গুইতে তিন মিনিটে বিপক্ষ গোলরক্ষককে একা পেয়েও স্কোরশিটে নাম তুলতে ব্যর্থ ৷ 25 মিনিটে অবশ্য গুইতের থেকে বল পেয়েই আজাদ সহিম তা বাড়িয়ে দিলে গোল করে যান সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ তিন মিনিট বাদে ফের গোল সায়নের ৷ বিক্রমজিতের পাস থেকে বল পেয়ে বিষ্ণু এবার তা বাড়িয়ে দেন সায়নকে ৷ 2-0 করতে ভুল করেননি বাঙালি উইঙ্গার ৷
এরপর প্রথমার্ধের বাকি সময় এবং দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও ফায়দা তুলতে ব্যর্থ লাল-হলুদ ফুটবলাররা ৷ ম্যাচের 71 মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে চাকু মাণ্ডি মাঠ ছাড়ায় দশজনে হয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল ৷ তাতে অবশ্য জয় পেতে অসুবিধা হয়নি বিনোর ছেলেদের ৷ উল্টে সংযুক্তি সময়ে স্কোরশিটে নাম তুলে গোলসংখ্যা বাড়িয়ে নেন নসিব ৷

