'চাই লিখিত অভিযোগ, ফেডারেশন পাশে আছে'- স্বরূপ বিশ্বাস - women Harassment in Tollywood
Harassment of women in Tollywood: টলিপাড়া কি মেয়েদের জন্য সুরক্ষিত? বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই পরিচালকের নাম না নিয়ে অনেক অভিনেত্রী তাঁদের খারাপ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরছেন ৷ এই বিষয়ে কী বলছেন ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস ?

By ETV Bharat Entertainment Team
Published : August 24, 2024 at 12:22 PM IST
কলকাতা, 24 অগস্ট: আরজি কর ঘটনার জেরে 'মেয়েদের রাতের কাজ থেকে বিরত রাখা হোক'- এমন একটি নিয়মের কথা জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। তারপর থেকেই রাজ্যের নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সরব হয়েছেন অযৌক্তিক নিয়মের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি 'মেয়েদের জন্য সুরক্ষিত নয় টলিপাড়া'- এই বক্তব্য সামনে রেখে একে একে নিজেদের সঙ্গে হওয়া নানা সময়ের ঘটনাবলি পরিচালকের নাম না করে সামনে আনছেন টলিপাড়ার অভিনেত্রীরা। এই অবস্থায় সত্যিই টলিপাড়ায় নারীসুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এই অবস্থায় নারী সুরক্ষা নিয়ে কী ভাবছেন ফেডারেশন (ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিশিয়ান্স অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া) সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস? ইটিভি ভারত তাঁকে এই ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, "আমাদের কাছে এখনও এসে কেউ লিখিত অভিযোগ জানাননি। সবটাই পোর্টালের মাধ্যমে জানতে পারছি। ফেডারেশন নারী সুরক্ষার ব্যাপারে সচেতন। লিখিত অভিযোগ জানালে এবং তা সত্যি হলে সেই অভিযোগকারীর পাশে ফেডারেশন সর্বতোভাবে থাকবে। তা সে আইনিভাবে হোক বা যেভাবেই হোক। অভিযোগকারীকে আইনি সাহায্য করতে প্রস্তুত ফেডারেশন। একইসঙ্গে অভিযোগকারীর নাম গোপন রাখা হবে- এই অঙ্গীকার ফেডারেশনের। তাই বলছি লিখিত অভিযোগ জমা দিন, ফেডারেশন পাশে আছে।""
টলিপাড়ার বুকে ঘটে চলা এহেন একের পর এক অভিনেত্রী নিগ্রহের বিষয়ে শ্রীলেখা মিত্রর মত, "নাম প্রকাশ্যে আনতে হবে। আমি এই নিয়ে যখন গলা চড়িয়েছিলাম তখন আমার মুখ বন্ধ করে দিয়েছিল বহু সংবাদ মাধ্যম। আজ দুধ কা দুধ পানি কা পানি। যার যার সঙ্গে এরকম ঘটনা ঘটেছে সকলকে এগিয়ে এসে বলতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। অনেকে পরবর্তীতে কাজ হারানোর ভয় পায়। একইভাবে আমি বলব অনেকে মেয়ে হওয়ার সুযোগটাও এখানে নেয়।"
একদিকে আরজি করে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা, অন্যদিকে একই আবহে টলিপাড়ার অভিনেত্রীদের পরিচালকদের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ- কোথায় দাঁড়িয়ে আছে নারী সুরক্ষা, সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন ৷ টলিপাড়ার মতো এহেন ঘটনা প্রায় প্রতিদিনই ঘটে অন্যান্য কর্মক্ষেত্রেও। কিন্তু সেই ঘটনার কথা মেয়েরা সাহস করে বলতে পারে না। কিছুটা লজ্জায়, অনেকটা চাকরি খোয়ানোর ভয়ে। এগিয়ে এলে হয়ত মিললেও মিলতে পারে প্রতিকারের অমূল্য রতন।

