পরিচালক-ফেডারেশন দ্বন্দ্ব মিটিয়ে নিক, ক'দিন পর সব কাজ তো করবে এআই: সুব্রত দত্ত
ইটিভি ভারতের মুখোমুখি হয়ে তাঁর আসন্ন ছবি 'ম্যাডাম সেনগুপ্ত' নিয়ে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন সুব্রত দত্ত ৷

By ETV Bharat Entertainment Team
Published : June 15, 2025 at 8:32 PM IST
কলকাতা, 15 জুন: 'ম্যাডাম সেনগুপ্ত' ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে সুব্রত দত্তকে । আগামী চার জুলাই মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি ৷ ইটিভি ভারতের সঙ্গে এই ছবি নিয়ে আড্ডা দিতে গিয়ে সুব্রত দত্ত বলেন, "এই ছবি দেখতে বসলে দর্শকের নিজেকে গোয়েন্দা মনে হবে । একটা করে ছড়া আর একটা করে খুন । এভাবেই এগোবে গল্প ৷ আর বলা যাবে না ।"
তবে, নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে বিশেষ কিছু খোলসা করলেন না অভিনেতা । বলেন, "টিজারে নেই, ট্রেলারেও আছি কি না জানি না । তবে, ছবিতে আছি । এই ছবিতে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, রাহুল বসু আর কৌশিক সেন মূল চরিত্রে ।"
পরিচালক সায়ন্তন ঘোষাল প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, "সায়ন্তন খুব কম কথা বলে । সেটে অ্যাকশন কাট ছাড়া কিছুই সেভাবে বলে না । কিন্তু ওর ছবি বানানোর কায়দা দুর্দান্ত । আমার সায়ন্তন এবং নন্দী মুভিজের সঙ্গে কাজ করতে ভালোই লাগে । তাড়াহুড়ো করে শুট করতে এরা অভ্যস্ত নয় । খুব ভালোভাবে তাই শুটটা হয়েছে ।"

কথা প্রসঙ্গে সুব্রত বলেন, "বছর পাঁচেক পর এআই সব কাজ করবে । আমরা থাকব । তবে, অন্যভাবে থাকব । সিনেমা থাকবে । তবে তা তৈরি হবে অন্যভাবে । ঠিক যেভাবে এখন আর সিনেমায় রিল নেই, সাইবার ক্যাফে নেই, ল্যান্ড ফোন কমে গিয়েছে ।"

সেদিনের কথা ভেবে ভয় হয় না তাঁর ? এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলে তিনি বলেন, "না ভয় হয় না । থিয়েটার করতাম শুরুতে । কিন্তু থিয়েটারে তো পেট ভরবে না । সিনেমায় চলে এলাম । ভাবিনি কোনওদিন সিনেমা করব । কে নেবে সিনেমায় এটাই ভাবতাম । তার পর তো মুম্বই চলে গেলাম । এতগুলো সিনেমা করলাম । লিড রোলও করলাম । এখন মাঝে আবার থিয়েটার করলাম । আগে পেজার নিয়ে ঘুরতাম । এখন দেখার ফরম্যাটটাই আসলে চেঞ্জ হয়ে গেছে । এই কদিন আগে উত্তরপ্রদেশে শুট করছিলাম, একটা হিন্দি ছবির । ওখানে সবাই জিজ্ঞেস করছিল ইউটিউবে কবে আসবে । ওরা হলের কথা ভাবছেই না ।"

ফেডারেশন-ডিরেক্টর গিল্ডের চাপানউতোর প্রসঙ্গে সুব্রত দত্ত বলেন, "ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে এহেন ঝামেলায় ইন্ডাস্ট্রির ক্ষতি হতে বাধ্য ৷ এটা একটা পরিবার । পরিবারে আজ এর সঙ্গে তো কাল ওর সঙ্গে সমস্যা হচ্ছে ৷ এটা দুঃখের । ঝগড়া হওয়া ভালো ৷ পার্লামেন্টেও হয় । খুব খারাপভাবেই হয় । কিন্তু তারপর তো শান্তি ফিরে আসে । এখানে তো শান্তিই ফিরছে না । হয়তো ফিরবে । কিন্তু কাজ হওয়াটা জরুরি । মতের অমিল থাকবেই । কিন্তু কাজ বন্ধ হওয়াটা ঠিক নয় এর জন্য ৷ যেখানে আজ থেকে পাঁচ বছর পর এভাবে আর সিনেমাই তৈরি হবে না । সেখানে এমনটা চালিয়ে যাওয়া ঠিক না ।"

