ETV Bharat / bharat

26 হাজার চাকরি বাতিল, শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট

10 মাস ধরে মোট 124টি আবেদনের শুনানি করেছে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই শুনানি শেষ হল সোমবার।

sc-reserves-order-on-pleas-against-calcutta-high-court-
সুপ্রিম কোর্ট (ইটিভি ভারত)
author img

By PTI

Published : February 10, 2025 at 7:04 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

নয়াদিল্লি, 10 ফেব্রুয়ারি: কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে চাকরি বাতিল হওয়া 26 হাজার পরীক্ষার্থীর ভাগ্য এখনও নির্ধারিত হল না। দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার রায়দান আপাতত স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট ৷

2024 সালের 22 এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট একলপ্তে 26 হাজার চাকরি বাতিল করে দিয়েছিল। এঁরা সকলেই 2016 সালে এসএসসি-র মাধ্যমে নিযুক্ত হয়েছিলেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে রাজ্য সরকার। প্রায় 10 মাস ধরে বিভিন্ন সময় শুনানি হয়েছে। মোট 124টি আবেদনের শুনানির পর দেশের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার জানিয়েছে, শুনানি শেষ ।আপাতত রায়দান স্থগিত থাকছে ।

এদিনের শুনানিতেও নতুন করে ওএমআর শিটের প্রসঙ্গ উঠে আসে। শীর্ষ আদালত জানতে চায়, কোন ওএমআর শিট ঠিক আর কোনটা ভুল সেটা রাজ্য় সরকার বুঝতে পারছে না কেন ? পশাপাশি আবারও আসে যোগ্য এবং অযোগ্য প্রার্থীদের আলাদা করার প্রসঙ্গটি। এই মামলার বিভিন্ন পক্ষের হয়ে সওয়াল করেছেন মুকুল রোহতগি, রঞ্জিত কুমার, অভিষেক মনু সিংভি, পিএস পাতওয়ালা, মনিন্দর সিং, শ্যাম দিওয়ান, প্রশান্ত ভূষণ, করুণা নন্দী, মিনাক্ষী আরোরার মতো বিশিষ্ট আইনজীবীরা।

এর আগে গত 19 ডিসেম্বর থেকে মামলায় চূড়ান্ত শুনানি শুরু করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এরপর জানুয়ারি মাসে 15 এবং 27 তারিখও মামলাটি শোনে আদালত। তারপর আজকের শুনানি। শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রাখল শীর্ষ আদালত। রাজ্য সরকারের পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থীদের তরফেও আদালতে মামলা করা হয়েছে ৷ বিভিন্ন শুনানিতে তাঁদের তরফে আইনজীবীরা দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের নিয়োগে বিরাট দুর্নীতি হয়েছে। আর সেই দুর্নীতির নেপথ্যে আছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি বেআইনিভাবে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের চাকরি বাঁচাতেও তৎপর ছিল প্রশাসন ।

ঘটনার সূত্রপাত 2016 সালে । এসএসসি-র মাধ্যমে নিয়োগ করা হয় প্রায় 26 হাজার শিক্ষককে। পরবর্তী সময়ে দেখা যায় ওএমআর শিটে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হয়। পরে চাকরি বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট । 2024 সালের 22 এপ্রিলের সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে রাজ্য প্রশাসন । সেই মামলার শুনানি সোমবার শেষ হল । এর আগে 27 জানুয়ারি এই মামলায় দু'ঘণ্টা শুনানি হয় সর্বোচ্চ আদালতে।