ভোট দিতে অনীহা, শহুরে ভোটারদের নিয়ে চিন্তায় কমিশন - Maharashtra Assembly Election
Election Commission on Urban voters: শহুরে ভোটারদের বুথে আনতে মরিয়া কমিশন। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য একাধিক নিয়ম লাগু হতে চলেছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার ।

Published : September 28, 2024 at 8:16 PM IST
মুম্বই, 28 সেপ্টেম্বর: শহুরে ভোটারদের নিয়ে চিন্তায় নির্বাচন কমিশন। ভোট দেওয়ায় তাঁদের যে অনিহা আছে তা একপ্রকার মেনেই নিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার রাজীব কুমার। পাশাপাশি মুম্বইয়ে শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, এবার থেকে অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এমন প্রার্থীদের নিজেদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংবাদমাধ্যমেও জানাতে হবে ।
কয়েক মাসের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন মহারাষ্ট্রে । তার আগে টানা দু'দিন ধরে রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি থেকে শুরু করে প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের কর্তারা। তারপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ভোট দেওয়া প্রসঙ্গে তৈরি হওয়া অনীহা নিয়ে সবর হন। এই পরিস্থিতির বদল ঘটাতে যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে সেকথাও জানান তিনি ।
মাত্র কয়েকমাস আগেই হওয়া লোকসভা নির্বাচনে মুম্বই ও তার আশপাশের এলাকায় সেভাবে ভোট পড়েনি। সেই প্রসঙ্গ তুলে মখ্য নির্বাচনী কমিশনার জানন মুম্বইয়ের কোলাবা থেকে শুরু করে কল্যাণের মতো এলাকায় সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে। আরও দেখা গিয়েছে, দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করেন এমন অনেকে আর্থিক ক্ষতির ভয়ে ভোট দিতে আসেন না।
এখানেই নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, ভোটের দিন এই ধরনের কর্মীদের পুরো টকাই প্রাপ্য। সেই তথ্য় তাঁদের অনেকেই জানেন না । আর তাই সচেতনতার উপর জোর দিয়েছে কমিশন। প্রশাসনে রদলদল করা নিয়েও কথা বলেছে কমিশন । বলা হয়েছে, নির্বাচনের কোনও কাজে থাকবেন এমন কোনও আধিকারিক যদি একই পদে তিন বছরের বেশি কর্মরত থাকেন তাহলে তাঁকে অন্যত্র বদলি করে দিতে হবে ।
প্রার্থী কোনওভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত কিনা তা তাঁর ভোটারদের জানা উচিত বলে দীর্ঘদিন ধরেই মনে করে কমিশন। আর ঠিক সেই কারণে ভোটে দাঁড়াবার আগে প্রার্থীকে হলফনামা দিয়ে এই তথ্য জানাতে হয়। এবার থেকে সংবাদমাধ্যমে কমপক্ষে তিনবার এই তথ্য জানাতে হবে প্রার্থীদের। অপরাধে জড়িয়ে থাকার অভিযোগ আছে এমন কাউকে প্রার্থী করেছে কেন সেটা আলাদা করে রাজনৈতিক দলকেও জানাতে হবে ।
গত কয়েক বছরে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতেও বিরাট পরিবর্তন চোখে পড়েছে । শিবসেনা থেকে শুরু করে এনসিপির মতো দল ভেঙে গিয়েছে। শিবসেনার প্রতীক আপাতাত মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের কাছে আছে। কিন্তু এনসিপির প্রতীক কে পাবে তা নিয়ে কাকা শরদ পাওয়ারের সঙ্গে তর্ক চলছে অজিত পাওয়ারের । এমতাবস্থায় এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ।

