ETV Bharat / bharat

3000 কোটির আর্থিক প্রতারণা ! ইডির কার্যালয়ে হাজিরা অনিল আম্বানির

সমন অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে ইডির কার্যালয়ে হাজিরা দিলেন রিলায়্যান্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি ৷ তাঁর কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে উঠেছে কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ ৷

Reliance Group Chairman Anil Ambani
ইডির কার্যালয়ের পথে শিল্পপতি অনিল আম্বানি (ছবি: পিটিআই)
author img

By PTI

Published : August 5, 2025 at 1:48 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

নয়াদিল্লি, 5 অগস্ট: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির সদর কার্যালয়ে হাজিরা দিলেন রিলায়্যান্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি ৷ তাঁর কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে কয়েক হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপির অভিযোগ উঠেছে ৷ তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশও জারি করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি) ৷ তাঁকে 5 অগস্ট হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৷ সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল 10টা 50 মিনিট নাগাদ মধ্য দিল্লিতে ইডির কার্যালয়ে পৌঁছন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির ভাই, রিলায়্যান্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল ৷

সরকারি সূত্রে খবর, আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধী আইন (পিএমএলএ)-র আওতায় 66 বছর বয়সি শিল্পপতির বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে ৷ এর আগে গত 24 জুলাই রিলায়্যান্স গ্রুপের 50টি কোম্পানি এবং 25 জন ব্যক্তির মোট 35টি জায়গায় ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি ৷

এই আর্থিক জালিয়াতির তদন্তের সময় অনিল আম্বানি যাতে দেশ ছেড়ে চলে যেতে না পারেন, তাই লুকআউট নোটিশ জারি করেছিল ইডি ৷ তাঁর কোম্পানির কয়েকজন উচ্চস্তরীয় আধিকারিককেও এই সপ্তাহেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে ইডি ৷

এই তদন্তের সূত্রে রয়েছে ওড়িশায় স্থিত একটি কোম্পানির উচ্চাধিকারিকের গ্রেফতারি ৷ সম্প্রতি ওড়িশার একটি কোম্পানির এমডি পার্থ সারথী বিসওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি ৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অনিল আম্বানি গ্রুপের একটি কোম্পানির জন্য 68 কোটি ভুয়ো ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি দিয়েছিলেন ৷ সেখান থেকেই অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে ৷ সূত্র জানিয়েছে, অনিল আম্বানি ও বিসওয়ালকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে ৷

রিলায়্যান্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার (আর ইনফ্রা)-সহ অনিল আম্বানির একাধিক কোম্পানি বেআইনি উপায়ে 17 হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে বলে অভিযোগ ৷ 2017 থেকে 2019 সালের মধ্যে ইয়েস ব্যাঙ্ক আম্বানির কোম্পানিগুলিকে প্রায় 3 হাজার কোটি টাকার ঋণ দিয়েছিল ৷ এই বিপুল অর্থ ভুয়ো কোম্পানিতে চালান করা হয়েছে বলে অভিযোগ ৷ সূত্রের খবর, ইডির অনুমান, ঋণে ছাড়পত্র পাওয়ার আগেই ইয়েস ব্যাঙ্কের প্রোমোটাররা তাঁদের নিজ নিজ কোম্পানিতে টাকা পেয়ে গিয়েছিলেন ৷ এর নেপথ্যে ঘুষের তত্ত্ব রয়েছে বলে সন্দেহ ইডির ৷ এই ঋণ ও ঘুষের আঁতাঁত নিয়ে তদন্ত করছে ইডি ৷