সাধুর অভিশাপ ! 300 বছর ধরে রঙের উৎসবে নিষেধাজ্ঞা গ্রামে, মুক্তির উপায় কী ?
দীর্ঘ বছর হোলি পালন থেকে বিরত হরিয়ানার গ্রাম ৷ এক ঋষির অভিশাপেই এই ঘটনা বলে শোনা যায় ৷ মুক্তির উপায় বলে দিলেও তা হয়নি ৷

Published : March 9, 2025 at 7:19 PM IST
কৈথাল (হরিয়ানা), 9 মার্চ: ভারত-সহ সারা বিশ্বে অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে হোলি পালিত হয় ৷ যার মধ্যে ব্যতিক্রম হরিয়ানার একটি গ্রাম ৷ যেখানে হোলি উৎসব পালন করা হয় না ৷ হরিয়ানার কৈথাল জেলার দুসেরপুরা গ্রামে গত 300 বছর ধরে হোলি উদযাপিত হয় না । সাধুর অভিশাপে এই ঘটনা হলেও মুক্তির উপায়ও বলেছিলেন তিনি ৷
ঋষি গ্রামবাসীদের অভিশাপ দিয়েছিলেন : গ্রামবাসীরা থেকে জানা গিয়েছে যে, হোলিকা দহনের দিন একজন ঋষি গ্রামবাসীদের অভিশাপ দিয়েছিলেন । কিছু দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার কারণে, দুসেরপুরের গ্রামবাসীরা প্রায় 300 বছর ধরে হোলি উৎসব উদযাপন করে না । 300 বছর আগে, গ্রামের লোকেরা হোলিকা দহন উদযাপনের জন্য শুকনো কাঠ, ঘুঁটে এবং অন্যান্য জিনিসপত্র সংগ্রহ করত ৷ কিন্তু হোলিকা দহনের আগে, কিছু যুবক দুষ্টুমি করে সময়ের আগেই হোলিকা দহন শুরু করে ।

এটা দেখে গ্রামের রাম সাধু তাদের থামানোর চেষ্টা করলেও তারা শোনেনি ৷ উল্টে সাধুর খাটো উচ্চতা নিয়ে মজা করতে লাগে । এতে ঋষি রেগে গিয়ে জ্বলন্ত হোলিকার মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েন । এই সময় তিনি গ্রামবাসীদের অভিশাপ দেন যে, আজ থেকে এই গ্রামে হোলি উদযাপন করা হবে না । যে কেউ এটা করবে তাকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে ।
অভিশাপ থেকে মুক্তির সমাধান : এই ঘটনার পর থেকে কৈথাল গ্রামে হোলি উৎসব পালিত হয় না । কথিত আছে যে, বাবা অভিশাপ থেকে মুক্তির উপায়ও বলেছিলেন । তিনি বলেছিলেন যে, হোলির দিন যদি এই গ্রামের কোনও গাভী বাছুরের জন্ম দেয় বা কোনও বাড়িতে বাচ্চার জন্ম হয় তবে এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে । কিন্তু 300 বছর হয়ে গেলেও হোলির দিনে গ্রামটিতে একটি বাছুর বা একটি বাচ্চাও জন্মায়নি । তাই হোলিও পালিত হয়নি ৷

