উত্তরকাশীতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান, মৃত 4; নিখোঁজ বহু
উত্তরকাশীর ধরলিতে মেঘ ভাঙা বৃ্ষ্টির সঙ্গী ভয়াবহ হড়পা বান ৷ তীব্র গতিতে নেমে আসা জলের তোড়ে কেঁপে উঠল বাড়িঘর, নামল ধসও ৷

Published : August 5, 2025 at 4:58 PM IST
উত্তরকাশী, 5 অগস্ট: প্রকৃতির রুদ্ররূপের রোষে উত্তরাখণ্ড ৷ উত্তরকাশীরর ধরলি গ্রামে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানের জেরে প্রাণ গেল কমপক্ষে চারজনের ৷
তীব্র গতিতে নেমে আসা কাদা-পাথরের স্রোতের মধ্যে চোখের পলকে মিশে যাচ্ছে পাহাড়ের ঢালে থাকা একাধিক বাড়ি। ধ্বংসস্তূপের তলায় বহু মানুষ আটকে রয়েছেন ৷ ঘটনায় চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসন জানিয়েছে প্রায় 60 জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না ৷
उत्तरकाशी के धराली में हुई इस त्रासदी से प्रभावित लोगों के प्रति मैं अपनी संवेदना व्यक्त करता हूं। इसके साथ ही सभी पीड़ितों की कुशलता की कामना करता हूं। मुख्यमंत्री पुष्कर धामी जी से बात कर मैंने हालात की जानकारी ली है। राज्य सरकार की निगरानी में राहत और बचाव की टीमें हरसंभव…
— Narendra Modi (@narendramodi) August 5, 2025
হড়পা বানের কাদা-পাথর ও জলের স্রোতে তলিয়ে গিয়েছেন অনেকে। ধরলিতে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি থেকে তৈরি হওয়া হড়পা বানের জেরে ক্ষীরগঙ্গা নদীর জলস্তর হু হু করে বাড়ছে ৷ যার ফলে ধরলি বাজার এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৷ উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফোনে মুখ্যমন্ত্রী ধামির সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ধরলিতে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছেন।
उत्तराखंड के धराली (उत्तरकाशी) में फ्लैश फ्लड की घटना को लेकर उत्तराखंड के मुख्यमंत्री से बात कर घटना की जानकारी ली। ITBP की निकटतम 3 टीमों को वहाँ भेज दिया गया है, साथ ही NDRF की 4 टीमें भी घटनास्थल के लिए रवाना कर दी गई हैं, जो शीघ्र पहुँच कर बचाव कार्य में लगेंगी।
— Amit Shah (@AmitShah) August 5, 2025
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই বিপর্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এক্সে পোস্ট করেছেন ৷ তিনি লিখেছেন, "উত্তরকাশীর ধরলিতে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমি সমবেদনা জানাচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সম্পর্কে খবর নিয়েছি। রাজ্য সরকারের তরফে ত্রাণ বিতরণের ব্যবস্থা হয়েছে ৷ উদ্ধারকারী দলগুলি ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে ৷" কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লিখেছেন, "উত্তরাখণ্ডের ধরলিতে হড়পা বান নিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি ৷ আইটিবিপির 3টি দল সেখানে পৌঁছেছে ৷ এনডিআরএফের 4টি দলকেও ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে, উদ্ধার কাজ চলছে ৷"
उत्तराखंड के धराली में बादल फटने से आई भारी तबाही के कारण कई लोगों की मौत और कई अन्य के लापता होने की खबर बेहद दुखद और चिंताजनक है।
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) August 5, 2025
मैं प्रभावित परिवारों के प्रति गहरी संवेदनाएं व्यक्त करता हूं और लापता लोगों के जल्द से जल्द मिलने की आशा करता हूं।
प्रशासन से अपील है कि राहत और…
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি লিখেছেন, "উত্তরাখণ্ডের ধরলিতে মেঘভেঙে দুর্যোগে অনেকের মৃত্যু হয়েছে ৷ বহু মানুষ নিখোঁজ ৷ এই খবর দুঃখের এবং দুশ্চিন্তার ৷ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল ৷ দ্রুত নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে আশা করছি ৷ প্রশাসনের কাছে আবেদন, উদ্ধার কার্যে গতি আনুক ৷ কংগ্রেসের নেতা ও কার্যকর্তাদের কাছে অনুরোধ, আপনারা প্রশাসনের সঙ্গে যতটা সম্ভব সাহায্য করুন ৷"
পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি, উদ্ধার কাজে সেনা এবং আধাসেনা
যে অঞ্চলে এই ধস নেমেছে সেটি উত্তরকাশী থেকে গঙ্গোত্রীর দিকে যাওয়ার পথ। তাতেই ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের সাক্ষী ধরলি গ্রাম। গঙ্গোত্রীও এই গ্রামের খুব কাছেই ৷ ইতিমধ্য়েই ভেসে গিয়েছে ধলি গ্রামের বহু বাড়ি থেকে শুরু করে হোটেল। মঙ্গলবার দুপুর 1.45 মিনিট নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে আসা ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, পাহাড়ের গা-বেয়ে নেমে আসছে জলের স্রোত। সেই স্রোতে একের পর এক বহুতল ভেঙে যাচ্ছে । উত্তরকাশী এবং তার আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বহু পর্যটক আটকে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে ৷ তাঁদের কীভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হবে তা নিয়ে প্রশাসনের একাংশের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রকৃতির তাণ্ডবে উত্তরকাশীর ধরলি গ্রামর পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে ৷ বহু মানুষ সেখানে আটকে পড়ে রয়েছেন ৷ খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ানরাও পৌঁছে গিয়েছেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং আইটিবিপির সদস্যরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ। 2টি MI 17 এবং 1টি চিনুক হেলিকপ্টার দ্বারা উদ্ধার কাজ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
দুপুরের দিকে ভারতীয় সেনার তরফে একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, হরশিলে ভারতীয় সেনার একটি ছাউনি আছে ৷ সেখান থেকে মাত্র চার কিলোমিটার দূরে ধরলি গ্রামে এদিন দুপুরের দিকে ধস নেমেছে ৷ খবর পাওয়ার দশ মিনিটের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর 150 জওয়ানকে উদ্ধারের কাজে নামানো হয়েছে ৷ তাতে প্রাথমিকভাবে 15-20 জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ৷ বাকি কাজ এখনও চলছে ৷ পরিস্থিতির উপর প্রতিনিয়ত নজর রাখা হচ্ছে ৷

